একই কর্মস্থলের এক নারী সহকর্মীকে ধর্ষণ, গোপন ভিডিও ধারণ ও দীর্ঘদিন ব্ল্যাকমেইল করে যৌন ও মানসিক নির্যাতন করার অভিযোগে রাঙামাটির পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক দিদার আলমকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম (৩৩) রাঙামাটি সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযুক্ত দিদার আলম একই অফিসে কাজ করায় দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে তার বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে পাওয়া গেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ অফিস চলাকালে অভিযুক্ত দিদার আলম ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই গোপন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দিয়ে ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় তার অন্য এক বাসায় একাধিকবার আবারও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ভিকটিমের স্বামী ও পরিবারের কাছে ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে নোটারি পাবলিকের কারণে ভিকটিমের স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করেন।
ঘটনায় অস্থির হয়ে ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দিদার আলমকে গ্রেফতার করে।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-১৪, তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬)।
এই ধরনের পরপর ঘটনায় রাঙামাটির সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার ভয়াবহ সামাজিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম (৩৩) রাঙামাটি সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযুক্ত দিদার আলম একই অফিসে কাজ করায় দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে তার বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তে পাওয়া গেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ অফিস চলাকালে অভিযুক্ত দিদার আলম ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই গোপন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দিয়ে ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও ২২ জানুয়ারি রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় তার অন্য এক বাসায় একাধিকবার আবারও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ভিকটিমের স্বামী ও পরিবারের কাছে ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে নোটারি পাবলিকের কারণে ভিকটিমের স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করেন।
ঘটনায় অস্থির হয়ে ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দিদার আলমকে গ্রেফতার করে।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-১৪, তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬)।
এই ধরনের পরপর ঘটনায় রাঙামাটির সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার ভয়াবহ সামাজিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তাসমিরা তাবাসসুম :